Frown feeling when scent - ঘ্রাণের অনুভূতি যখন ভোঁতা
ঘ্রাণের অনুভূতি যখন ভোঁতা জগতে কত রকমের গন্ধ আর সুবাস। কোনোটি মন ভরিয়ে দেয়। যেমন ফুলের সুবাস। আবার কোনোটা দম বন্ধ করে দেয়। যেমন ঢাকা শহরের ডাস্টবিন বা পুঁতিগন্ধময় বুড়িগঙ্গার তীর। কিন্তু কেউ কেউ আছেন, যাঁরা এসব গন্ধের কোনোটাই টের পান না। হ্যাঁ, এটা একটা রোগ বটে। কেননা দৃষ্টি বা শ্রবণশক্তির মতো ঘ্রাণশক্তিও মানুষের এক বিশেষ ক্ষমতা বা চেতনা। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে জটিল স্নায়বিক ও শারীরবৃত্তীয় ঘটনা। আমরা কেন গন্ধ পাই? আমাদের নাক, মুখ ও গলার সামনের দিকে আছে অনুভূতি উদ্দীপক অজস্র কোষ বা সেনসরি সেল। চারপাশের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র গন্ধ উৎপাদনকারী পদার্থ এই কোষগুলোকে উদ্দীপ্ত করে তোলে। তারপর তা সরাসরি স্নায়ুবাহিত হয়ে চলে যায় মস্তিষ্কে। এই কাজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্নায়ুটি হলো অলফ্যাকটরি। এটি থাকে নাকের পেছন দিকে। এটির যোগাযোগ সরাসরি মস্তিষ্কের সঙ্গে। ঘ্রাণশক্তির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে স্বাদের অনুভুতিও। বলা হয়, আলাদা আলাদা খাবারের আলাদা স্বাদ ও গন্ধ মিলে সৃষ্টি হয় ফ্লেভার। অলফ্যাকটরি কোষ আর স্নায়ু না থাকলে বোঝাই মুশকিল হতো, কমলার রস খাচ্ছেন নাকি কফি খাচ্ছেন। ঘ্রাণেন...